বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম
বর্তমানে অনলাইনে কাজ করার চেয়ে । আমি মনে করি , নিজের প্ল্যাটফর্ম থাকলেও অন্যের ওয়েবসাইটে কাজ করার চেয়ে নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করে কাজ করা উত্তম
কিছু টাকা বিনিয়োগ করে ডোমেইন এবং শেয়ার্ড হোস্টিং কিনে কাজ শুরু করা শুরুতে হয়তো বেশি একটু সময় লাগবে কিন্তু যেটা আপনি তৈরি করবেন সেটা একান্ত আপনার নিজের । আমার পছন্দ মত কনটেন্ট তৈরি ডিজাইন নিজের মত করতে পারব ।
পেজ সূত্রপত্র :বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম
- বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম
- আর্টিকেল কি
- লেখার আগে গবেষণা করুন
- নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখুন
- সকালে লেখা অভ্যাস করুন
- লেখার শেষের রিভাইস করুন
- উপসংহার
বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম
একটি সুন্দর বাংলা আর্টিকেল লেখার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার । বর্তমান সময়ে অনেক মানুষ আছেন যারা, ঘরে বসে আর্টিকেল লিখে প্রতি মাসে ৪ থেকে ১৫ ইনকাম করছে । পার্ট টাইম জব হিসেবে এটি একটি ভালো উদ্যোগ । সেজন্য আগে আর্টিকেল লেখার নিয়ম জানতে হবে ।
আর্টিকেল এমনভাবে লিখতে হবে যাতে করে আপনার আর্টিকেল পড়ে আপনার পাঠক আপনার লিখার প্রতি আকৃষ্ট হয় ।
যেকোনো কাজ শুরু করার আগে সেই বিষয়ে ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরী । যেমন আপনি যখন আর্টিকেলটা লিখবেন তখন আর্টিকেলটা কি এ বিষয়টা আগে ভালোভাবে জানতে হবে এবং নিয়ম কানুন গুলো কি সে বিষয়ে ধারণা থাকতে হবে । আর্টিকেল সম্পর্কে নিয়ম-কানুন গুলো নিজে আলোচনা করা হলোঃ
আর্টিকেল কি ?
আর্টিকেলটা কি আগে আপনাকে জানতে হবে । কোন বাংলা ব্লগিং যদি ওয়েবসাইটে বিষয় সম্পর্কে সুন্দরভাবে লেখা পোস্ট করে তখন তাকে বাংলা আর্টিকেল বলে । আর্টিকেল কিভাবে লিখতে হয় সে সম্পর্কে জানতে নিচের লেখা গুলোকে পড়ুন বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে ।
আমরা প্রতিদিন ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য খুলতে থাকি। কখনো স্বাস্থ্য সম্পর্কে, কখনো প্রযুক্তি, শিক্ষা, ভ্রমণ, রান্না কিংবা ব্যবসা নিয়ে তথ্য খুঁজতে থাকে। গুগলের সার্চ করার পর যে লেখাগুলো আমাদের সামনে আসে সেগুলোর বেশিরভাগই হল আর্টিকেল ।
লেখার আগে গবেষণা করুনএকটি মানসম্মত আর্টিকেলের ভিত্তি হল শক্তিশালী গবেষণা । আপনি যত ভালোভাবে গবেষণা ও তথ্য সংগ্রহ করবেন, আপনার লেখা তত বেশি নির্ভুল, বিশ্বাসযোগ্য এবং পাঠকের জন্য উপকারী হবে। শুরু করার আগে নির্ধারণ করুন, আপনি কোন বিষয়ে লিখবেন। এরপর সেই বিষয়গুলোকে গুগলে সার্চ করে প্রথম কয়েকটি মানসম্মত ফলাফল পড়ুন। গবেষণার সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলাদা করে নোট করুন।
এতে লেখার সময় বারবার তথ্যগুলো খুঁজতে হবে না এবং কাজগুলো দ্রুত শেষ হয়ে যাবে ।মনে রাখবেন গবেষণার উদ্দেশ্যে অন্যের কোন লেখা কপি করা যাবে না ।বরং বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য বুঝে নিজের ভাষায় নতুন করে লেখায় একজন দক্ষ লেখকের পরিচয়। এভাবে লিখলে একটি আর্টিকেল হয় ইউনিট, তথ্যবহুল এবং পাঠকের কাছে মূল্যবান।
আরো পড়ুন:
নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখুন
নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখলে আপনার আর্টিকেলকে ইউনিট করে তুলে। ইন্টারনেটে অনেক অনেক আর্টিকেল আছে। সবাই একই রকম ভাষায় লিখছে। কিন্তু আপনি নিজে অভিজ্ঞতা থেকে নিজের গল্প
তুলে ধরবেন। সেটা শুধু আপনার কাছে আছে আর্টিকেল সম্ভবত নিজের অভিজ্ঞতা গল্পের আকারে লেখায় উত্তম। যেন ভিজিটররা মজা পায় এবং আর্টিকেলটা ভালো করে পড়ে। অনেকেই মনে করেন ভালো আর্টিকেল লিখতে হলে অনেক তথ্য মুখস্ত থাকতে হবে। আসলে বিষয়টি এমন নয়।
একজন লোকের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার নিজের অভিজ্ঞতা ।আপনি যে বিষয়টি ব্যবহার করছেন, নিজের শিখেছেন, বা বাস্তবে দেখেছেন সেটি সহজ ভাষায় তুলে ধরতে পারলে একটি মানসম্মত আর্টিকেল লেখা সম্ভব হয়। লেখার সময় কঠিন শব্দ ব্যবহার না করে সহজ ভাষায় লিখুন। যেন সবাই পড়তে পারে। মনে রাখবেন, ভালো লেখক হওয়ার জন্য নিখুঁত হওয়া জরুরি নয়। নিয়মিত লেখা নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেয়া আর নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করায় একজন দক্ষ আর্টিকেল লেখক এর আসল পরিচয়।
সকালে লেখার অভ্যাস করুন
সকালের সময় লিখতে মাথার মস্তিষ্ক সবচেয়ে সতেজও মনোবল থাকে। সেজন্য সকালে লেখার উত্তম সময়। নিয়মিত সকালে লেখার অভ্যাস করুন ।আর্টিকেল লেখার সুন্দর সময় সকালবেলা। সকালে আটিকেল লিখলে মাথার ওপর কোনো চিন্তা ভাবনা আসে না। তখন লেখাটা দ্রুত হয়ে যায় ।এছাড়া দিনের শুরুতে লেখা কাজ শেষ করলে মানসিক চাপ ও কম থাকে। সকালের পরিবেশ শান্ত ও নিরিবিলি থাকে।
মনে রাখবেন, আপনি প্রতিদিন আটিকেল লেখা নির্ধারণ সময় বেছে নেবেন সকাল বেলা। নিয়মিত সকালে লিখতে বসলে অলসতা কমে যায়। এবং লেখালেখি একটি দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয় । প্রথমে বেশি লেখা চেষ্টা না করে প্রতিদিন অল্প অল্প লিখুন।
যত বেশি লিখবেন তত বেশি হাতের লেখার গতি বেড়ে যাবে। তখন আস্তে আস্তে হাতের লেখার আত্ম।বিশ্বাস এবং দক্ষতা বাড়তে থাকবে। মনে রাখবেন ,একজন ভালো আর্টিকেল লেখক একদিনে তৈরি হন না তৈরি হতে সময় লাগে
লেখার শেষে রিভাইস করুন
আর্টিকেল লেখা শেষ মানেই কাজ শেষ না। বরং ভালো আর্টিকেল তৈরির প্রথম ধাপ হলো রিভিশন(Revision)। তারপরই পাবলিশ করবেন ।লেখা শেষ করে কিছু সময় বিরতি নেন তারপর চা খান ঘুরে আসুন ,তারপর আর্টিকেলটা পড়ুন তখন দেখবেন ভুলগুলো আপনার চোখে ধরা পড়বে । রিভাইজের সময় পুরো লেখাটা ধীরে ধীরে পড়ুন। কোথাও বানান ভুল শব্দ বাক্য ঠিক আছে কিনা সেগুলো ভালোভাবে খেয়াল করুন।
আর পড়ুন: অনলাইনে আয় করবেন কিভাবে
আপনি লেখাতে যতই দক্ষ হোন না কেন ,যত বেশি পড়বেন তত বেশি আপনার চিন্তা ভাবনা গভীরতা বাড়বে।। আপনি ভালো আর্টিকেল লিখতে চাইলে প্রতিনিয়ত পড়া ও লেখার অভ্যাস করতে হবে। এখানে আপনি শিখবেন বিভিন্ন ধরনের লেখা কিভাবে উপস্থাপন করবেন। কিভাবে পাঠকের মনোযোগ আকর্ষণ করা যায়। এবং একটি লেখক কিভাবে সঠিকভাবে সুন্দর গোছানো ও প্রভাবশালী কাঠামোতে সাজানো যায়। বর্তমানে আয় করার জন্য অনলাইনে অনেক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। কিন্তু সফল হতে হলে অনেক কঠিন পরিশ্রম করতে হয়।
সফল হতে হলে কঠোর পরিশ্রম করুন নির্দিষ্ট সময়ের কাজ করুন। নিজের দক্ষতা অর্জন করুন এবং মানসম্মত সেবা প্রদান করুন। সবার কাছে যেন সুন্দরভাবে তুলে ধরতে পারি। লেখাগুলোকে এমন ভাবে সাজানো হবে যেন মানুষের চোখে আকর্ষণীয় লাগে। অনলাইনে আয়ের কিছু জনপ্রিয় উপায় আছে।
ব্লগিং হলো একটি ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখা প্রকাশ করার কাজ। কন্টেন্ট রাইটিং হল পাঠকের জন্য সহজ লেখা তৈরি করার দক্ষতা।গ্রাফিক ডিজাইন হল ছবি রং লেখা বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করে আকর্ষণীয় ডিজাইন তৈরি করার শিল্প ।ভিডিও এডিটিং একটি ছবি সুন্দর ভাবে কালারও ডিজাইন করে তোলার কাজ।



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url